সাতক্ষীরায় বিভিন্ন হাট-বাজার ও রাস্তার মোড়ে তীব্র গরমে কচি তালের শাঁস কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

Date:

Share:

সাতক্ষীরায় বিভিন্ন হাট-বাজার ও রাস্তার মোড়ে তীব্র গরমে কচি তালের শাঁস কিনতে ভিড় করছেন ক্রেতারা।

 

জহর হাসান সাগর,

সাতক্ষীরায় প্রচণ্ড গরমে শরীর সতেজ রাখতে সাধারণ মানুষের কাছে কচি তালের শাঁসের চাহিদা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। মধুমাস জ্যৈষ্ঠের আম, লিচু ও কাঁঠালের পাশাপাশি সুস্বাদু ও রসালো এই ফলটি এখন মানুষের পছন্দের তালিকায় বিশেষ স্থান করে নিয়েছে।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা ও গ্রামীণ এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, হাট-বাজার, রাস্তার মোড় এবং জনাকীর্ণ স্থানে কচি তালের শাঁস বিক্রি করছেন মৌসুমি ব্যবসায়ীরা। অনেক বিক্রেতাকে আবার ভ্যানযোগে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তালের শাঁস বিক্রি করতে দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন এলাকা থেকে তাল সংগ্রহ করে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্রি করছেন তারা।

তালা উপজেলার বিক্রেতা রফিকুল ইসলাম জানান, গরমের তীব্রতা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তালের শাঁসের চাহিদাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি প্রতিদিন গড়ে ৩০০ থেকে ৪০০টি তাল বিক্রি করেন। আকারভেদে প্রতিটি তালের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে।

ক্রেতারা জানান, তালের শাঁস শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি গরমে শরীরকে ঠান্ডা রাখতে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে সহায়তা করে। ফলে শিশু থেকে শুরু করে বয়স্ক—সব বয়সী মানুষের কাছেই এর জনপ্রিয়তা বাড়ছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কচি তালের শাঁসে রয়েছে প্রচুর পানি, খনিজ লবণ ও বিভিন্ন পুষ্টিগুণ, যা গরমের সময়ে শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত ও স্বাস্থ্যসম্মত হওয়ায় গ্রীষ্মকালীন ফল হিসেবে তালের শাঁসের চাহিদা প্রতিবছরই বাড়ছে।

তীব্র দাবদাহের এই সময়ে তালের শাঁস বিক্রি করে যেমন ব্যবসায়ীরা বাড়তি আয় করছেন, তেমনি সাধারণ মানুষও স্বস্তি পাচ্ছেন প্রকৃতির এই সুমিষ্ট