কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: সাতক্ষীরার রেবতী সরকারকে ভারতে সৎকার, সাজুর মরদেহ বাংলাদেশে

Date:

Share:

কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: সাতক্ষীরার রেবতী সরকারকে ভারতে সৎকার, সাজুর মরদেহ বাংলাদেশে

জহর হাসান সাগর

ভারতের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের একটি আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের রেবতী সরকারকে পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কলকাতার নিমতলায় সৎকার করা হয়েছে।
রেবতীর পরিবার জানা তার ছেলে অনিক সরকার  তিনি ভারতের উত্তরাখণ্ডে দাদা-দাদির কাছে থাকেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে শুক্রবার ট্রেনে করে কলকাতায় পৌঁছান। এ সময় রেবতীর মরদেহ কলকাতার একটি মর্গে রাখা ছিল। পরে তাঁর বাবাও কলকাতায় পৌঁছান। পরিবারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে কলকাতার নিমতলা শ্মশানে রেবতী সরকারের সৎকার সম্পন্ন হয়।
এ বিষয়ে বাংলাদেশ উপহাইকমিশনের কর্মকর্তা ওমর ফারুক আকন্দ জানান, পরিবারের ইচ্ছা অনুযায়ী রেবতী সরকারের মরদেহ কলকাতাতেই সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে। এছাড়া নিহত বাংলাদেশি নাগরিকদের মরদেহ দেশে পাঠানোর প্রয়োজনীয় ব্যয় বাংলাদেশ সরকার বহন করেছে।
তিনি আরও জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বর্তমানে কলকাতার কোনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাংলাদেশি নাগরিকের তথ্য উপহাইকমিশনের কাছে নেই।
উল্লেখ্য, গত ১৯ আগস্ট ভোরে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোট ৯ জন নিহত হন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন বাংলাদেশি নাগরিক।
নিহত বাংলাদেশিদের মধ্যে সাতক্ষীরার দুইজন—শহরের পলাশপোল এলাকার মো. আলিমুজ্জামান সাজু এবং কালীগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের রেবতী সরকার। এছাড়া নিহতদের মধ্যে কুষ্টিয়ার চারজন ও ঢাকার একজন রয়েছেন।
নিহত সাজুর মরদেহ গ্রহণ করতে ভোমরা স্থলবন্দরে উপস্থিত ছিলেন তাঁর ছোট ভাই দিপু, ফুফাতো ভাই উজ্জ্বল, মিথুনসহ স্বজনরা তার পরিবার থেকে জানান। ভুমরা  দিয়ে মরা দেব দুইটার সময় আমাদের বাসাতে আসেন আসর বাদ জানাজা সম্পন্ন করেছি।  এছাড়া বাকি
নিহতদের মধ্যে পাঁচজনের মরদেহ যশোরের বেনাপোল বন্দর দিয়ে দেশে আনার কথা রয়েছে।

২২ আগস্ট ২০২৬
কলকাতার হোটেলে অগ্নিকাণ্ড: সাতক্ষীরার রেবতী সরকারকে ভারতে সৎকার, সাজুর মরদেহ বাংলাদেশে