নায়েব থেকে কর্পোরেট লেডি নায়েব শর্মিষ্ঠা: মনোরঞ্জন ছিল মূল লক্ষ্য

Date:

Share:

নায়েব থেকে কর্পোরেট লেডি নায়েব শর্মিষ্ঠা: মনোরঞ্জন ছিল মূল লক্ষ্য

নিজস্ব প্রতিবেদক :

সাতক্ষীরার বহুল আলোচিত এক নাম নায়েব শর্মিষ্ঠা সরকার। কেউ চেনে তাকে তাকে মাক্স লেডি হিসাবে আবার কেউ চেনে ঘুষের মহারাণী আবার কেউ চেনে বহু পুরুষের পরোকীয়া প্রেমিকা হিসাবে। নায়েব শর্মিষ্ঠার ছিল কর্পোরেট জগতের লেডি। ঘুষের চেয়ার টিকিয়ে রাখতে মিশতেন উদ্ধর্তন কর্মকর্তাদের সাথে। নিজের সর্বস্ব বিলিয়ে দিয় ধরে রাখতেন ঘুষের চেয়ার।কিন্তু তার এই ঘুষের সাম্রাজ্য আজ ধুলিসত হয়ে গেছে। অনুসন্ধানে ধরা পড়েছে তার পরোকীয়া প্রেমের ফাঁদ। বাংলাদেশের প্রথম শ্রেণীর গণমাধ্যম গুলোতে প্রকাশ পেয়েছে তার ঘুষের চিত্র ও পরোকীয়া প্রেমের কল রেকর্ড অন্তরঙ্গ মুহুর্তে ছবিসহ চ্যাটিং।

সরজমিনে অনুসন্ধানে জানা যায় যায়, নায়েব শর্মিষ্ঠার গ্রামের বাড়ি কালিগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের গোপিন্দকাটি গ্রামে। পিতা প্রশান্ত সরকার ও মাতা ইভা সরকার। তিন বোনের মধ্যো মেঝ শর্মিষ্ঠা। স্কুল জীবনে একাধিক ছেলের সাথে প্রেম দিয়ে শুরু হয় তার প্রেম লীলা। একাধিক ছেলেদের সাথে একই সময়ে প্রেম করার কারণে এটা নিয়ে মারামারিতে ও রূপ নেয়। ২০০৩ সালে ভর্তি সরকারি মহিলা কলেজে। সেই সময় এক শিক্ষকের সাথে প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। সেই শিক্ষকের সাথে অবাধ মেলামেশা করতেন। সেই শিক্ষকের তদবিরে উপ সহকারী ভূমি কর্মকর্তা হিসাবে চাকরি পান। কিন্তু চাকরির পরে সেই শিক্ষককের সাথে আর যোগাযোগ রাখেন নি। ২০০৬ সালে চুরি করে নিজের থেকে ২৩ বছরের বড় শ্যামনগরের প্রশান্ত কুমার রক্ষিতের সাথে বিয়ে করেন। শর্মিষ্ঠার কর্পোরেট লেবেলে ছিল ব্যাপক চাহিদা। সে কর্মস্থলে চাকরি করতেন তার উদ্ধর্তন কর্মকর্তাকে বাগিয়ে বশে রাখতেন। তৎকালীন কালিগঞ্জের এসিল্যান্ডের সাথে দীর্ঘদিন ধরে তার রাত কাটানোর ঘটনা রয়েছে৷ তাছাড়া কালিগঞ্জের বসন্তপুর ও ভাড়াশিমলা ভূমি অফিস থাকাকালীন সিনিয়র নায়েব ইউনুস চিশতীর সাথে অবাধ মেলামেশা ছিল যেটা অনান্য নায়েবরা জানে। তাদের এই মেলামেশা জেলাজুড়ে হইচই পড়ে যায়। একই সময়ে ভাড়াশিমলার সনজিত ও তারালীর সুমনের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। সুমন তার স্কুটি চালিয়ে বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যেতেন আর সনজিত অফিশিয়াল ফাইলে মক্কেল ধরতেন। কথিত আছে সুমন ও সনজিতকে ফেনসিডিল খাওয়াতেন শর্মিঁষ্ঠা। মাঝে মাঝে নিজেও ওই পাটিতে অংশগ্রহন করেন।
শ্যামনগর সদরে থাকতে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগের নেতার সাথে প্রেমের সম্পর্কে গড়ে ওঠে। তাছাড়া সাতক্ষীরা বিশেষ বাগানবাড়িতে বিভিন্ন কর্মকর্তাদের সাথে যাতয়াত ছিল। শর্মিষ্ঠা অফিসের কাজে সাতক্ষীরা আসলে সেই বাগানবাড়িতে কর্মকর্তাদের সাথে মেলামেশা করতেন। শর্মিঁষ্ঠা সরকার তৎকালীন সময়ে এক নায়েবকে পতিতা দিয়ে ভিডিও করিয়ে প্রকাশ করে সাসপেন্ড করিয়েছে। ২০২৪ সালে ৫ ই আগষ্ট পরবর্তী সাতক্ষীরা সদরের আগরদাড়িতে যোগদান করেন। ঘুষের সিন্ডিকেট টিকিয়ে রাখতে তৎকালীন এনডিসির সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। ওউ এনডিসির সাথে বিভিন্ন রেষ্টুরেন্টে শর্মিষ্ঠাকে দেখা গেছে। ২০২৫ সালেী দুর্গাপূজাতে ওই এনডিসি সিলেটের জাকিগঞ্জ থাকাকালীন উপহারও পাঠান। একই সাথে এক গণমাধ্যম কর্মীর সাথে প্রেমে জড়ান। বিভিন্ন রেস্টুরেন্টে তাদের গল্প করতে দেখা যেত। ওই গণমাধ্যম কর্মীকে ফাঁসিয়ে দামি গিফট নিয়েছেন শর্মিষ্ঠা। তার সাথে কল রেকর্ড অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছনি ফাঁস হয়েছে। শর্মিষ্ঠার বাসায় তার যাতায়াত ছিল জানিয়েছে স্থানীয়রা। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর ওই গণমাধ্যম কর্মীর সহয়তায় সাতক্ষীরা সদর ভূমি অফিসে বদলি হন। ভূমি অফিসে বদলি হয়ে এসিল্যান্ড বদরুদ্দোজা সাথে প্রেমে জড়ান। অফিস শেষে এসিল্যান্ডের রুমে দরজা আটকায়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতেন। তাছাড়া এসিল্যান্ডে মাঝে মাঝে শর্মিষ্ঠাকে নিয়ে গাড়িতে করে বের হয়ে যেতেন। এসিল্যান্ড ও গণমাধ্যম কর্মীর সাথে একই সাথে প্রেম চলাকালীনে ধরা পড়ে যায় নায়েব শর্মিষ্ঠা। ওই গণমাধ্যম কর্মীর সাথে বিরোধের জেরে শর্মিষ্ঠার মুখোমুখি উন্মোচিত হয়। শর্মিষ্ঠার স্বামী প্রসনজিত অক্ষম হওয়ায় তিনি বিভিন্ন মানুষের সাথে প্রেমে আসক্ত হয়ে শারীরিক মেলামেশা করেন।

সদর ভূমি অফিসের সহকারী জানান, নায়েব শর্মিষ্ঠা একই সাথে এসিল্যান্ড ও সাংবাদিকের প্রেমে জড়ান। একদিকে এসিল্যান্ডের রুমে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটাতেন। তেমনি ওই সাংবাদিকের সাথেও দরজা আটাকয়ে গল্প করতেন। কখনও সাংবাদিকের সাথে বাইরে যেতেন শপিং করতেন আল বারাকায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সাতক্ষীরার এক কর্মকর্তা বলেন, শর্মিষ্ঠা ছিল প্রচন্ড দুর্নীতিবাজ। ঘুষের চেয়ার টিকিয়ে রাখতে শারিরিক সম্পর্কে জড়িয়েছে। তাকে আমি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যাচমেট সাতক্ষীরার কর্মকর্তার সাথে একটি রিসোর্টে রাত কারাতে দেখছি। শর্মিঁষ্ঠার কাছে শারিরিক সম্পর্ক ছিল দুধভাত। সে এই জীবনটা উপভোগ করতেন।

অভিযুক্ত নায়েব শর্মিঁষ্ঠাকে কল দিলে তিনি রিসিভ করেনি নি।
তবে অনুসন্ধানে তার সকল অপকর্ম একাধিক প্রেম উদ্বর্তন কর্মকর্তাদের সাথে অবাধ মেলামেশার সত্যতা মিলেছে।

২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নায়েব থেকে কর্পোরেট লেডি নায়েব শর্মিষ্ঠা: মনোরঞ্জন ছিল মূল লক্ষ্য