তালায় পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা, বসতঘর ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ
তালা প্রতিনিধি:
সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খেরশা ইউনিয়নের বালিয়া গ্রামে কপোতাক্ষ নদের তীরবর্তী পৈতৃক সম্পত্তি জবরদখলের চেষ্টা, মৎস্যঘেরের বাসা ভাঙচুর, মাছ লুট এবং অগ্নিসংযোগের অভিযোগ উঠেছে পার্শ্ববর্তী পাইকগাছা উপজেলার হরিদালী ইউনিয়নের হরিদাসকাটি গ্রামের কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
বালিয়া গ্রামের কাসেম আলী মোড়ল অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নদীভাঙনের পর জেগে ওঠা জমি তিনি চাষাবাদ ও মৎস্যঘের হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। দীর্ঘদিন ধরে জমিটি তার দখলে রয়েছে। হঠাৎ পাইকগাছা উপজেলার হরিদাসকাটি এলাকা থেকে কয়েকজন ব্যক্তি এসে তার মৎস্যঘেরের বাসা ভাঙচুর করে এবং ঘেরের মাছ ধরে নিয়ে যায়। এতে তার প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
স্থানীয় একাধিক ব্যক্তি জানান, নদীভাঙনের কারণে তাদের প্রায় ৫০ থেকে ৬০ জনের জমি নদীর ওপারে চলে যায় এবং বর্তমানে তা পাইকগাছা উপজেলার সীমানার মধ্যে পড়েছে। তাদের দাবি, প্রায় ৪০ বিঘা রেকর্ডীয় সম্পত্তি এবং আরও প্রায় ২০ বিঘা খাস জমি বন্দোবস্ত নিয়ে তারা দীর্ঘ ১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে ভোগদখল করে আসছেন।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সম্প্রতি কিছু ব্যক্তি ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করছেন। এরই ধারাবাহিকতায় মৎস্যঘেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। পাশাপাশি ঘেরের মাছ এবং বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগও করেছেন তারা।
ভুক্তভোগীরা বলেন, বাপ-দাদার পৈতৃক সম্পত্তি হারানোর আশঙ্কায় তারা আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, সম্পত্তির দখল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
তবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বক্তব্য এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।
