“ধর্মপাশার সেলবরষ ইউপি নির্বাচন”
জনগণের আস্থা বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী
চয়ন চৌধুরী, ধর্মপাশা থেকেঃ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশব্যাপী শীঘ্রই অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন
নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এমন ঘোষণা আসতে না আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্ব-স্ব এলাকার ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীরা। এরই মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের ডামাডোল বেজে উঠেছে সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়নে। চায়ের ষ্টল থেকে রাজনৈতিক অঙ্গে চলছে ব্যাপক আলোচনা। আসন্ন সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ইউনিয়নের সর্বত্রই নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের মধ্যে নির্বাচনী হাওয়া বইতে শুরু করেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে চলছে আলোচনা ও ক্যাম্পেইন। চেয়ারম্যান পদে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে অন্যতম হলেন, সাবেক ছাত্র নেতা ও বর্তমান ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ আলী। যিনি ধর্মপাশা উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক ও জেলা যুবদলেরও সাবেক সদস্য ছিলেন তিনি। ছাত্রজীবন থেকেই মোহাম্মদ আলী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি’র) রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত।
নব্বই ও পাচ আগস্ট ২৪ এর ছাত্র-গণ অভ্যুত্থানেও রাজপথে সাহসী ভূমিকা রেখেছেন । সর্বজনপ্রিয় ও গ্রহনযোগ্য কর্মী বান্ধব নেতাই হবেন আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী। এখানে একাধিক প্রার্থী থাকলেও দলের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বারবার কারাবরণকারী ত্যাগী নির্যাতিত নিবেদিত নেতা হিসেবে ভদ্র নম্র বিনয়ী মার্জিত কর্মী বান্ধব গণমানুষের হৃদয়ের স্পন্দন ইউনিয়নবাসীর আস্থার বাতিঘর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ আলী ।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মী ও দলীয় একাধিক সুত্রে জানা গেছে, আওয়ামী সরকার পতনের আন্দোলনে মোহাম্মদ আলীর ভূমিকা ছিলো প্রশংসনীয়। তিনি
নিজ এলাকা সেলবরষ ইউনিয়ন ও ধর্মপাশার রাজপথে নেতাকর্মীদের নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম চালিয়ে যেতেন মোহাম্মদ আলী। করনাকালে দুস্থ মানুষের পাশে তার ভুমিকা ছিল অত্যন্ত মানবিক। নেতাকর্মীদের সুখ দুঃখে পাশে থাকা একমাত্র মোহাম্মদ আলীকে দলের ক্ষতি কিংবা বদনাম হয় এমন কোনো কর্মকান্ডে জড়িত হন নাই। সেলবরষ ইউনিয়নের আপাদমস্তক ক্লিন ইমেজের একমাত্র সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ আলী যাহাতে সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হন এজন্য দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ইউনিয়নের সাধারণ মানুষেরও তার প্রতি চাপ রয়েছে।
ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতা বলেন, সেলবরষ ইউনিয়ন পরিষদ ইলেকশনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মোহাম্মদ আলীর বিকল্প কোনো প্রার্থী নেই। বিএনপি নেতাকর্মী সহ ইউনিয়নবাসীর আস্থা ভাজন ব্যক্তি হচ্ছে মোহাম্মদ আলী।
তারা আরো বলেন, ইউনিয়নবাসীর খেদমত করা ও দলের সুনাম অক্ষুণ্ণ রাখা একমাত্র নেতাই হচ্ছেন মোহাম্মদ আলী । তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী হবে স্থানীয় বিএনপি। পাশাপাশি ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বেগবান হওয়ার সাথে সাথে সাধারণ মানুষের ভাগ্যন্নয়নে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে।
সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আব্দুল মোতালিব ওরফে মিঠু মিয়া বলেন, মোহাম্মদ আলী ভাই ছাত্রদলের রাজনীতি থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত দলীয় সকল আন্দোলন সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর নেতৃত্বে আজ আমাদের সেলবরষ ইউনিয়ন বিএনপি সাংগঠনিকভাবে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। আর তা সম্ভব হয়েছে শুধু তাঁর সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি তৃনমুল নেতাকর্মীদের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রক্ষা করার ফলেই। এছাড়াও সেলবরষ ইউনিয়নের সকল শ্রেণী-পেশার লোকজনের সাথেও মোহাম্মদ আলী ভাইয়ের রয়েছে গভীর সম্পর্ক।
তিনি আরো বলেন, আগামী ইউপি নির্বাচনে এ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে দল থেকে মোহাম্মদ আলী ভাইকে মনোনয়ন দিলে আশা করি বিপুল ভোটের ব্যবধানে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আমার বিশ্বাস।
এবিষয়ে জানতে চাইলে ধর্মপাশা উপজেলার সেলবরষ বিএনপির আহবায়ক মোহাম্মদ আলী বলেন, সারাজীবন আমি জনতার কাতারে থেকে জনগণের ভাগ্যান্নয়নে কাজ করে আসছি। রাজনৈতিক জীবনে কোনো দিন দলকে ফাঁকি দিয়ে রাজনীতি করি নাই বা পাওয়া না পাওয়ার হিসাবও করিনি। আমি নিজ এলাকায় অবস্থান করে দলীয় নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে দলীয় সব কর্মসূচী বাস্তবায়ন করে আসছি। নেতাকর্মীদের ফেলে বা তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোথাও যাইনি। এক প্রশ্নের জবাবে মোহাম্মদ আলী বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব কামরুজ্জামান কামরুল সাহেব আমার অভিভাবক। রাজনৈতিক জীবনে কখনও তার কথার বাহিরে যাইনি। আশা করি আমার অতীত কর্মকান্ড বিবেচনা করে দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে আমার উপর আস্থা রাখবেন বলে আমার বিশ্বাস।###
০১৭১৮-৭৫৫৭৭১
০৯-০৭-২০২৬ ইং।
