ধর্মপাশায় পুকুরের সিঁড়ি থেকে পা পিছলে পানিতে ডুবে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীর মৃত্যু
চয়ন চৌধুরী, ধর্মপাশা থেকেঃ
সুনামগঞ্জের ধর্মপাশায় সহপাঠিদের সাথে পুকুরে গোসল করতে গিয়ে সিঁড়ি থেকে পা পিছলে পানিতে ডুবে পূর্ণ রাণী দাস (১১) নামে এক চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে গিয়ে পুকুরঘাটের সিঁড়ি থেকে পা পিছলে পানিতে ডুবে তার মৃত্যু হয়।
নিহত শিক্ষার্থী পূর্ণ রাণী দাস উপজেলা সদর ইউনিয়নের ধর্মপাশা উত্তর পাড়া গ্রামের স্বপন চন্দ্র দাসের মেয়ে এবং সে ধর্মপাশা ২ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী।
নিহতের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে স্কুলছাত্রী পূর্ণ রাণী দাস একই গ্রামের তার ৩-৪ জন সহপাঠীর সাথে বাড়ির পাশের একটি পুকুরে গোসল করতে যায়। গোসলের একপর্যায়ে পুকুরের পাকা ঘাটের সিঁড়ি দিয়ে পানিতে নামার সময় তার পা পিছলে গভীর পানিতে তলিয়ে যায় শিশু পূর্ণ রাণী দাস।
ঘটনাটি দেখে সঙ্গে-সঙ্গে তার সহপাঠীরা দৌড়ে গিয়ে বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের খবর দেয়। পরে বাড়ির লোকজন পুকুরে নেমে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। খবর পেয়ে ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিসের একটি দলও ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। পরে প্রায় এক ঘন্টা খোঁজাখুঁজির পর পুকুরের পানি থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে
দ্রুত ধর্মপাশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে নিয়ে ভর্তী করা হয়। সেখানে অনেক পরীক্ষা -নিরীক্ষার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক স্কুলছাত্রী পূর্ণ রাণী দাসকে মৃত ঘোষণা করেন।
ধর্মপাশা ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার সারোয়ার আলম খান এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আমাদের ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ইনচার্জ স্যার ছুটি রয়েছেন। তবে শিশুটি পানিতে ডুবে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় আধাঘন্টা পর আমাদেরকে জানানো হয়। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় এক ঘন্টা সময় খোঁজাখুঁজির পর ওই পুকুর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হই এবং দ্রুত আমরা তাকে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরী বিভাগে ভর্তী করি। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করেন।
