কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সমীকরণে একক প্রার্থী জাহাঙ্গীর : ফাঁকা মাঠে গোল
নিজস্ব প্রতিবেদক :
আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোরেসোরে প্রচার প্রচারণায় নেমেছে প্রার্থীরা। প্রথম ধাপে ইসি ঘোষণা করেছে সাতক্ষীরা জেলার ৭৮ টি ইউনিয়নের নাম। বিভিন্ন ইউনিয়নে প্রার্থীরা ছুটছে ভোটারদের দ্বারে পুরাতন হিসাব নিকাশের মান অভিমান ভূলে চাইছে ভোট। একটি ভোট খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্থানীয় সরকার নির্বাচনে। জয় পরাজয় একটি ভোটে অনেক সময় নির্ভর করে। সেজন্য একটি ভোটও ছাড় দিতে নারাজ প্রার্থীরা। কালিগঞ্জ উপজেলা বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে একক প্রার্থী হিসাবে মাঠ কাপিয়ে বেড়াচ্ছে বর্তমান চেয়ারম্যান ও কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক যুগ্ম আহবায়ক জাহাঙ্গীর আলম। সদা বিনয়ী আর হাস্যউজ্জল জাহাঙ্গীরের জনপ্রিয়তা রয়েছে সকল শ্রেণী পেশার মানুষের কাছে।
সরজমিনে অনুসন্ধান জানা যায়, বিগত সময়ে বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন রাজনীতিতে বিএনপি সক্রিয়। সেখানে বরাবারই দুইটা গ্রুপ রাজনীতিতে মাঠ দখল রেখেছে একটা হল মিজান -আলাউদ্দিন আরেকটা হল জাহাঙ্গীর – ফারুক গ্রুপ। ভোটের সমীকরণে আওয়ামী লীগের ভোটাররা দুইটা গ্রুপে ভাগ হয়ে সর্মথন করে। সর্বশেষ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ রিয়াজকে পরাজিত করে জাহাঙ্গীর আলম সীমিত ভোটে চেয়ারম্যান হয়। রিয়াজের দুঃশাসনের বিরুদ্ধে জনগণ জাহাঙ্গীরকে বেঁচে নেয়। বর্তমানে জাহাঙ্গীর আলম শক্ত প্রতিদ্বদন্দী হিসাবে মাঠে গুজ্ঞন রয়েছে সাবেক চেয়ারম্যান মাসুদুর রহমান সাগরের নাম। মাসুদুর রহমান সাগর নির্বাচন করলে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। কিন্তু বিশ্বস্ত সূত্র বলছে সাগর নির্বাচন করবেন না। মাসুদুর রহমান সাগর নির্বচন না করায় ভোটাররা মনে করছে ফাঁকা মাঠে গোল দিবে জাহাঙ্গীর আলম। জাহাঙ্গীর আলমের প্রতিদ্বন্দী হিসাবে মাঠে রয়েছে যুবলীগ নেতা বিতর্কিত সিরাজুল ইসলাম মেম্বার। জনপ্রিয়তা না থাকলেও একশ্রেণীর মানুষ জাহাঙ্গীরের প্রতিপক্ষ হিসাবে দাড় করিয়ে শুভেচ্ছা ব্যানার লাগিয়ে দিয়েছে পাড়া মহল্লায়। ভোটাররা বলছে সিরাজুল মেম্বার ২০১৩ সালের জ্বালাও পোড়াও সময় বির্তকিত। সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আওয়ামী লীগ নেতা সাঈদ মেহেদীর যোগসাজশে মামলা বাণিজ্যর অভিযোগ রয়েছে। সম্প্রতি কয়েকটি গণমাধ্যমে সিরাজুল মেম্বারের বিরুদ্ধে জামায়াত বিএনপির মামলা বাণিজ্যর অভিযোগের প্রতিবেদন প্রকাশ পেয়েছে।
বিষ্ণুপুরের এক হিন্দু কমিউনিটির প্রধান গণমাধ্যমকে বলেন, জাহাঙ্গীর আলম ৫ আগষ্টের পরে রাত জেগে কর্মী বাহিনী নিয়ে আমাদের ঘর বাড়ি পাহারা দিয়েছে। আমাদের সার্বিক নিরাপত্তা দিয়েছে। সে মানুষ হিসাবে বিনয়ী আমরা কমিউনিটির পক্ষ থেকে তাকেই ভোট দিয়ে বিজয়ী করব।
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের খ্রিস্টান কমিউনিটির প্রতিনিধি বলেন বিগত পাঁচটি বছর চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম আমাদের সুখে দুখে পাশে ছিল এবং বিগত ২৪ সালের ৫ই আগস্ট এর পর হতে আমাদের পাশে থেকে সার্বিকভাবে নিরাপত্তা দিয়ে সহযোগিতা করেছেন।
সাধারণ ভোটার আবুল হোসেন বলেন, বিগত পাঁচ বছরে জাহাঙ্গীরের সেবার মান ভাল ছিল। ইউনিয়নে কোন ঘটনা ঘটলে রাত হোক দিন হোক ছুটে গিয়েছে।
মানুষ চেয়ারম্যান হিসাবে এমন জাহাঙ্গীর আলম কে চায়। সবচেয়ে বড় কথা তার কোন শক্ত প্রতিদ্বন্দী নেই যে তাকে ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান বানবো। যে আছে সেই থাক ভাল
আরেকজন সাধারণ ভোটার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, সামনে নির্বাচন প্রার্থীরা ছুটছে ভোটারদের কাছে। উৎসব মুখর পরিবেশ ভোট হবে। বিষ্ণুপুর ইউনিয়নে জাহাঙ্গীরের প্রতিপক্ষ যোগ্য প্রার্থী নেই। যোগ্য প্রার্থী ছাড়া নির্বাচন জমে না। হয়তো একজন দাড়াবে সর্বোচ্চ ২ থেকে ৩ হাজার ভোট পেতে পারে। তাছাড়া জাহাঙ্গীরকে মানুষ ভোট দিয়ে আবার চেয়ারম্যান নির্বাচিত করবে।
বিষ্ণুপুরের সচেতন নাগরিক সমাজের পক্ষে সাবেক ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম বলেন,জাহাঙ্গীর আলম চেয়ারম্যান হিসাবে উপযুক্ত। সে বিগত ৫ বছরে ইউনিয়ন বাসীর সেবা দিয়ে আসছে। এলাকায় উন্নয়নে কাজ করেছে। আগামীতে চেয়ারম্যান হিসাবে আমরা তাকে চাই।
২ নং বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম গণমাধ্যমকে বলেন, আমি নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে এসেছি। ইউনিয়ন বাসীর সুখে দুঃখে পাশে থেকেছি। সরকারি বরাদ্দের শতভাগ কাজ বাস্তবায়ন করেছি। জনগন আমার সেবায় সন্তোষ আপনারা সরজমিনে ভোটারদের সাথো কথা বললে বুঝতে পারবেন। আমি আগমাীতে চেয়ারম্যান হিসাবে দোয়া চাই ভোটারদের কাছে
