তালার প্রান্তিক খামারী এক রাতেই নিঃস্ব পলাশ, চোরের খপ্পরে গরু-ছাগল

Date:

Share:

তালা প্রতিনিধি
তালা উপজেলার মাঝিয়াড়া গ্রামের প্রান্তিক খামারী মো. নুরনব্বী গাজী পলাশ গোয়ালঘর থেকে একটি বকনা, একটি গাভী গরু ও বাছুরসহ দুটি ছাগল চুরি করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা| এক রাতেই প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতির মুখে পড়ে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছেন প্রান্তিক খামারী নুরনব্বী গাজী পলাশ|

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে কোনো এক সময় সংঘবদ্ধ চোরচক্র নুরনব্বী গাজী পলাশের বাড়িতে হানা দেয়| চোরেরা বাড়ির সঙ্গে সংযুক্ত গোয়ালঘরের তালা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে একটি বকনা, একটি গাভী গরু ও তার বাছুর এবং দুটি ছাগল চুরি করে নিয়ে যায়| সকালে ঘুম থেকে উঠে গোয়ালঘর খালি দেখে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েন|

প্রান্তিক খামারী নুরনব্বী গাজী পলাশ জানান, দীর্ঘদিনের কষ্টার্জিত সঞ্চয় ও ঋণের টাকায় তিনি গবাদিপশুগুলো লালন-পালন করছিলেন| এক রাতের ব্যবধানে সব হারিয়ে তিনি এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন|

তিনি বলেন, অনেক কষ্ট করে গরু-ছাগলগুলো লালন-পালন করেছি| মঙ্গলবার দিবাগত রাত্র ১ টায় সময় গোয়াল ঘরে গরু ও ছাগল দেখে ঘুমাতে যান| সকালে ওঠে দেখে গোয়াল ঘরে তালা ভাঙ্গা চোরেরা সব নিয়ে গেছে| এখন আমি নিঃস্ব হয়ে পড়েছি| আমার প্রায় ৩ থেকে ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে|

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন,তালা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন, তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও তালা সদর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সাংবাদিক এস. এম. নজরুল ইসলাম, তালা থানার এসআই শিপন সানা, এসআই ফারুক| এঘটনায় প্রান্তিক খামারী মো. নুরনব্বী গাজী পলাশ বাদী অজ্ঞাত ব্যক্তিদের নামে তালা থানায় এজাহার দায়ের করেছেন|

এসময় সাংবাদিক এস. এম. নজরুল ইসলাম ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন এবং ঘটনার প্রতি গভীর দুঃখ প্রকাশ করেন| এ সময় তিনি প্রশাসনের প্রতি দ্রুত চোরদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি হওয়া গবাদিপশু উদ্ধারে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান|

এ বিষয়ে তালা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) সাখাওয়াত হোসেন জানান, খবর পাওয়া মাত্র ঘটনাস্থলে পুলিশ ইউনিট নিয়ে হাজির হয়েছিলাম| এই চুরির ঘটনার তথ্য উদঘাটনের জন্য সকাল থেকে তালা থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করেছেন|